শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৪

আরব ইসরাঈল যুদ্ধ ১৯৭৩

১৯৭৩ সাল। আরব ইসরাঈল যুদ্ধ চলছে।
এ যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহেই ইসরাঈল ৫০০ ট্যাংক, ৫০টা এয়ার ক্রাফট হারায়। ৩ সপ্তাহে ইসরাঈলের ২৬০০ সৈন্য মারা যায়। মিশর, ইসরাঈলের ২৩০ জন সৈন্যকে আটক করেছিল। যার কারণে ইসরাঈলে ব্যাপক বিক্ষোভ সংঘটিত হয়।
সুবিধাজনক অবস্থায় থেকেও অক্টোবরের ২২ তারিখে আনোয়ার সাদাতের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব সবাইকে হতবাক করে।

এ যুদ্ধের পরিকল্পনাকারী ছিলেন, মিশরীয় সেনা অফিসার জেনারেল সাদ আল শাযলী। আনোয়ার সাদাত তাকে হটিয়ে দিয়ে কর্তৃত্ব নিজে নেয়।
প্রশ্ন হচ্ছে জেনারেল সাদ কেন এই বীরত্ব দেখিয়েছিলেন???
আল জাযিরার সাথে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, "আমি এর প্রতিদান আল্লাহর কাছে চাই।"
মুসলিম সেনাবাহিনীর এরকম অসংখ্য অফিসার আল্লাহর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু মুসলিম উম্মাহ কর্তৃক তাদের কাছে খিলাফত প্রতিষ্ঠায় নুসরাহ চাওয়ার দাবি যত জোরালো হচ্ছে, কুফর কর্তৃক তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পরিমাণও বাড়ছে। বাংলাদেশের এক ঊর্ধতন সেনা অফিসার আয়োজিত এক পার্টিতে তার অধস্তন অফিসারদেরকে দাওয়াত দেয়া হয়। সেখানে মদ পরিবেশন করা হয়, এবং খুব সুক্ষভাবে লক্ষ্য রাখা হয় কারা মদ নেয়নি, এবং কারা সালাত আদায় করতে গেছে।

আর এভাবেই কুফর চিহ্নিত করছে ঈমানদার নিষ্ঠাবান অফিসারদেরকে, এবং তাদেরকে জেলে ভরছে, গুম করছে নয়ত চাকরি থেকে বরখাস্ত করছে। নেভির এক অফিসার জাতিসংঘ মিশনে যাওয়ার প্রস্তাবে একে হারাম উল্লেখ করায় তার চাকরি চলে যায়। পাকিস্তানের ব্রিগেডিয়ার আলী এ জন্য জেল খাটছেন যে তিনি লাদেন হত্যার প্রতিবাদ করেছিলেন।
হে মুসলিম সেনাবাহিনী!

তোমরা হাসিনা খালেদাকে ভয় করনা, অশ্লীল বাক্যই যাদের রাজনৈতিক ভাষা। এই উম্মাহ তোমাদের সাথে আছে। এই উম্মাহর নিষ্ঠাবান রাজনীতিবিদরা তোমাদের সাথে আছে। আল্লাহকে ভয় কর, খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার জন্য একবার ব্যারাক ছেড়ে বের হও। ট্যাংকের নল জালেম হাসিনা-খালেদাদের দিকে তাক করো।
ইনশাআল্লাহ, সারা পৃথীবির মুসলিম দেশগুলোয় হাজার হাজার উম্মাহকে নিয়ে তোমাদের সমর্থনে মার্চ করার ক্ষমতা হিযবুত তাহরীরের আছে। এই উম্মাহ খিলাফতের বোঝা বহন করার জন্য পিঠ পেতে দিতে প্রস্তুত আছে।
তোমরা আল্লাহর দ্বীনের সাহায্যকারী হয়ে যাও, আল্লাহও তোমাদেরকে সাহায্য করবেন।
কল্পনা কর, যখন তোমরা নুসরাহ দিবে, বায়াত দিবে খলীফাকে, তোমরাই হবে আল্লাহর রাসূলের হাদীস, "আবার আসবে নবুয়তের আদলে খিলাফত" বাস্তবায়নকারী সেই আনসার।
তোমরা ইতিহাসকে দ্বিতীয়বার লিখবে। তোমরা একটা ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হবে, সেই সাথে হাজার হাজার ফেরেস্তারা এই ঘটনার সাক্ষী হবে।..... আর সাক্ষী হিসেবে তো আল্লাহই যথেষ্ট।

তখন তোমাদের মেরুদন্ড বেয়ে শীতল স্রোত প্রবাহিত হবে, আল্লাহর ভয়ে, আবেগে তোমাদের গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যাবে, এবং তোমরা সেজদায় পড়ে যাবে। তোমাদের জন্য আসমানে আসমানবাসীরা আর যমীনে যমীনবাসীরা দোওয়া করবে।
বের হয়ে আস, ব্যারাক থেকে, চেইন অফ কমান্ড ছিন্ন করে, শুধুই আল্লাহর জন্য...






কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন